Showing posts with label ইনকিলাব. Show all posts
Showing posts with label ইনকিলাব. Show all posts

Thursday, June 16, 2016

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এক মুসলিম কিশোরের গল্প


মোহাম্মদ এইচ. জামান::

যুক্তরাষ্ট্রে এসেছি অনেক আগে, মূলত দেশটির চমৎকার নির্বাচনী ব্যবস্থাই আমাকে প্রথম মুগ্ধ করেছিল। আমার জন্ম পাকিস্তানে, সেখানেই ১৯৮০’র দশকে বড় হয়েছি, সে সময়টা ছিল পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য এক অনিশ্চিৎ সময়। সামরিক শাসক প্রেসিডেন্ট জিয়া উল-হকের নির্মম দমন-পীড়নমূলক শাসন পাকিস্তানি নাগরিকদের স্বপ্ন ও আশাগুলোকে নিঃশেষ করে দিচ্ছিল।

Thursday, June 2, 2016

ম্যাটস শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মানতে আপত্তি কোথায়

 সৈয়দ ইবনে রহমত ::
মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) শিক্ষার্থীরা তাদের ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্দোলন করছে অনেক দিন ধরেই। বিশেষ করে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গত ১৬ মে থেকে লাগাতার অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে এই সাদা এপ্রোনধারী শিক্ষার্থীরা। গতকাল ১ জুন এই প্রবন্ধ লেখার সময় পর্যন্ত ১৭ দিন তারা খোলা আকাশের নিচে কাটালেও কর্তৃপক্ষের কারো মন গলার আভাস পাওয়া যায়নি। আন্দোলনরত ম্যাটস শিক্ষার্থীরা যে শুধু প্রেস ক্লাবের সামনে বসেই রোদে পুড়ছে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজছে তা নয়, বরং তারা তাদের দাবির কথা কর্তৃপক্ষের কান পর্যন্ত পৌঁছে দিতে নানাভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। সারা দেশেই ছড়িয়ে দিয়েছে তাদের আন্দোলনটাকে। ঢাকাতেও চলছে মিছিল, শ্লোগান, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা তৎপরতা।

Wednesday, December 2, 2015

শান্তি চুক্তির আঠার বছর এবং বাঙালিদের আট দাবি



 ড. মু. আমান উদ্দীন মুজাহিদ : :
পাহাড়-অরণ্য-হ্রদঘেরা সবুজ সমারোহের প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর বাংলাদেশের এক-দশমাংশ এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম; যা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। অপরূপ সৌন্দর্যের এ জনপদ অশান্তির আগুনে জ্বলছে প্রতিদিন। পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে চলমান সংঘাতে খুন, অপহরণের ঘটনা আজ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকা- পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ মহামারী আকার ধারণ করেছে। অন্যদিকে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত তথাকথিত শান্তিচুক্তির আড়ালে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালিদের নিজ ভূমিতে পরবাসী করে দেওয়া হয়েছে। উপজাতীয় তথা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য যাবতীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্বের অধিকারী করা হয়েছে।

Saturday, September 27, 2014

স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা : সাম্রাজ্যবাদ নিজের মিত্রদের রক্ত খাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে


॥ ড. ইশা মোহাম্মদ ॥
 স্কটল্যান্ড গ্রেটব্রিটেন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে স্বাধীনতার পক্ষে গণভোটের অনুষ্ঠান করেছে। সে দেশের রাজনীতিকদের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সাধারণ মানুষের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি মেলেনি। ব্যাপক সাধারণ মানুষ গ্রেটব্রিটেনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। অর্থাৎ তারা স্বাধীনতা চায় না। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর একজন হয়ে বেঁচে থাকতে চায়। যারা হ্যাঁ ভোট দিয়েছে, তারা তাহলে কারা! স্কটল্যান্ড ৪২ বছর ধরে স্বাধীন দেশ ছিল। ইংল্যান্ড আগ্রাসী হয়ে ওঠে এবং এক সময় পার্শ্ববর্তী দেশ-স্থান দখল করতে থাকে। স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলসল্যান্ড দখল করে গ্রেটব্রিটেন গড়ে তোলে। কিন্তু ব্রিটেন কখনোই এক জাতিসত্ত্বা হয়ে উঠতে পারেনি।

দেশে হঠাৎ কেন এই আইএস আতঙ্ক


॥ এ এম এম বাহাউদ্দীন ॥
নিত্যদিনের কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও দৈনিক যুগান্তরের লিড নিউজ ‘কোথায় ছিল এতোদিন’ রির্পোটটি পড়তে হলো। বাংলাদেশ জঙ্গি হয়ে যাচ্ছে, এদেশের তরুণরা আইএস-এ যোগ দিতে যাচ্ছে এমন খবর যখন কিছু মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে; এ ধরণের খবর মানুষ বিশ্বাস করুক না করুক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করছে ঠিকই; তখন ২৭ সেপ্টেম্বরে যুগান্তরের এ অনুসন্ধানী রিপোর্টটি সাম্রাজ্যবাদের এজেন্টদের যেন ‘মুখোশ’ খুলে দিয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষিত তরুণ-যুবকদের আইএস এ যোগদান এবং জঙ্গি হয়ে ওঠার ‘কল্পকাহিনী’ যারা মাঝে মাঝে ফাঁদেন তাদের চাতুর্যপনা দেশবাসীর সামনে উন্মোচন করেছে পত্রিকাটি পরিবেশিত তথ্যে।